মো. একরামুল হক, হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা:
চট্টগ্রামের হাটহাজারী, রাউজান ও ফটিকছড়ি উপজেলার সীমানা ঘেঁষা মিলনমোহা নদী। এই নদী পারাপারে প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাকে পোহাতে হয় চরম দুর্ভোগ। বহুদিন ধরে এলাকার মানুষের প্রাণের দাবি—একটি স্থায়ী পাকা সেতু। কিন্তু নানা আবেদন-নিবেদনের পরও সেই স্বপ্ন এখনও বাস্তব রূপ পায়নি।
এই দীর্ঘ ভোগান্তি কিছুটা লাঘবের লক্ষ্যে মানবিক উদ্যোগ নিয়েছেন এলাকার সমাজসেবক ও প্রয়াত রুহুল আমীন মাঝির পুত্র নুরুল আজম। প্রতিবছরের মতো এবারও তিনি নিজস্ব অর্থায়নে এবং এলাকার কিছু সমাজহিতৈষীর সহযোগিতায় শুষ্ক মৌসুমে নতুন করে একটি বাঁশের সেতু নির্মাণ করেছেন। স্থানীয়রা জানান, এই সেতুটি অন্তত সাত-আট মাস নদী পারাপারে বড় স্বস্তি এনে দেবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নোয়াজিষপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন মানিক, সমাজসেবক গোলামুর রহমান বাবুল, ব্যবসায়ী ও যুবদল নেতা ফয়সাল আহমেদ, সমাজসেবক এরসাদুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
স্থানীয়রা বলছেন, নুরুল আজমের এই উদ্যোগ শুধু একটি সাময়িক অবকাঠামো নয়— এটি আশার প্রতীক। যতদিন না স্থায়ী সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়, ততদিন তাঁর এই মানবিক পদক্ষেপই মিলনমোহা এলাকার মানুষকে অনুপ্রেরণা জোগাবে।

