
আব্দুল মান্নান সিদ্দিকী, শ্রীনগর প্রতিনিধি:
সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা, খাল বিল,পুকুর নদ-নদী বঙ্গোপসাগরকে নিয়ে আমাদের বাংলাদেশ। দেশের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পর্যটকগণ ছুটে আসেন নদ-নদী সমুদ্র বন্দরে। বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ। এদেশে রয়েছে ফলজ বনজ পরিবেশ শীতকালে বিভিন্ন দেশে হতে ছুটে আসতো অতিথি পাখি এখনো স্বল্প সংখ্যক অতিথি পাখি এসে এসব বনজ বাগানে আশ্রয় নেয়। পূর্বে যখন অতিথি পাখিদের আগমন ঘটতো তখন অতিথি পাখিরা যে এলাকা দিয়ে আকাশে উড়তো তখন পাখিদের পাখার সু সু শব্দে মুখরিত পরিবেশের সৃষ্টি হতো শেষ সব এলাকা জলবায়ু ও আবহাওয়ার পরিবর্তন এর কারণে অতিথি পাখিদের আগমন কম হলে। বর্তমানে বনজ এলাকায় এ দেশীয় পাখিদের কল কলানি শব্দ উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
এছাড়া এরা দলবেঁধে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ফিরে বেড়ায় এমনি একটি দৃশ্য দেখা যায় মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর কেন্দ্রীয় চকবাজার মসজিদের সংলগ্ন ব্রিজের বৈদ্যুতিক তারে
সূর্যোদয়ের পর পরই এদের আগমন ঘটে।
প্রত্যক্ষ দর্শীরা জানান, পূর্বে গ্রাম অঞ্চলের মানুষের ঘুম ভাঙতো ভোররাতে দেশীয় মোরগের ডাক, বাগানে শিয়ালের কাক্কা হুয়া ও পাখিদের কিচিরমিচির শব্দে এখন সেই শব্দ পাওয়া যায় তবে তুলনামূলক কম।
তারা আরো জানান, প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে হলে, মনে শান্তি উপভোগ করতে হলে, বিশুদ্ধ বায়ু পেতে এখনো গ্রাম অঞ্চলের বিকল্প নেই। এখনো গ্রামের বায়ু স্বাস্থ্যোপযোগী। শহরের বায়ুতে যানবাহনের ধুলি বালিতে কার্বন ডাই-অক্সাইড এর পরিমাণ বেশি। বায়ুদূষিতর ফলে শহরে বসবাসরত মানুষেরবসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে ঘটছে স্বাস্থ্যগত অবনতি তাই শহরবাসীরা বিশুদ্ধ বায়ু গ্রহণকরতে ছুটে আসেন নিজ বাড়িতে। অনেকে শীতকালে দেশি ও অতিথি পাখি ধরে ভক্ষণ করে। শীত আসন্ন তাই পাখি ধরে ভক্ষণ না করে তাদেরকে তার নিজ বাসস্থলেপড়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া সকল নাগরিকের কর্তব্য।