
নুরুজ্জামান আশরাফ,বাজিতপুর,কিশোরগঞ্জ:
কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার সরারচর ইসলামীয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যাক্ষ মুফতি শফি উদ্দিন কে গতকাল শুক্রবার বিকাল তিন ঘটিকায় মাদ্রাসা অফিসে মেয়ে সহ আটক করেছে স্থানীয়রা।পরে পরে পরিস্তিতি বেশামাল দেখে কৌশলে পলায়ন করে বলে জানিয়েছেন প্রত্যাক্ষদর্শীরা।
সরারচর ইসলামীয়া ফাজিল মাদ্রাসায় সরেজমিনে গিয়ে দেখ যায় স্থানীয়দের জটলা ।গতকাল ২৮/১১/২৫ইং বন্ধের দিন শুক্রবার কেনো একজন নারীকে নিয়ে মাদ্রাসা অফিসে দরজা লাগিয়ে বসে থাকে স্থানীয়দের প্রশ্ন। স্থানীয়রা জানান মুফতি শফি উদ্দিন প্রায় সময় বিভিন্ন মহিলাদের নিয়ে অফিসে আড্ডা দেয়।এসব বিতর্কিত বিষয় নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তার চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন উটেছে। সরারচর এলাকার বিভিন্ন পেশার মানুষের সাথে এই বিষয়ে কথা বল্লে তারা বলেন একটা ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যাক্ষ যদি দিনে দুপরে বন্ধের দিন দড়জা লাগিয়ে অফিস কক্ষকে পর নারী নিয়ে বসে থাকে তাহলে সাধারণ মানুষের আলেমদের নিয়ে সমাজের নেতিবাচক মনোভাব তৈরী হবে, এ নিয়ে মিস্র পতিক্রিয়া দেখা যায়।
এই বিষয়ে মাদ্রাসার অধ্যাক্ষ মুফতি শফি উদ্দিন এর সাথে কথা বল্লে তিনি বলেন আমি গতকাল জুম্মার নামাজ পড়ানোর জন্য মাদ্রাসায় আসি। নামাজ এর পরে আমার দুপুরের খাবার নিয়ে অফিসে আসে একটি মেয়ে খাবার খাওয়ার সময় দড়জাটা হালকা বন্ধ করা ছিল। তখন স্থানীয় কিছু লোকজন ওই মেয়ের সাথে কথা বল্লে বাকবিতন্ড হয়।পরে আমি গিয়ে সমাধান করি। তিনি আরো জানান ওই মহিলার বাড়ি কুলিয়ারচর উপজেলায়। আগে তাদের বাড়িতে থেকে চাকুরী সুবাদে সেই তার সাথে পরিচয়।
দড়জা বন্ধ করে কেনো বসে ছিলেন তখন জবাবে তিনি বলেন আমিই বলেছি যেহেতু খাবার খাবো এই জন্য দড়জাটা একটু আজাইয়া দেও য়ার জন্য। এখানে তেমন কিছু হয় নাই যে নিউজ প্রকাশ করতে হবে।তিনি আরো জানান স্থানীয়রা বিষয়টি সমাধান করেছেন।দরজা বন্ধ করে কেনো মহিলার সাথে বসা ইসলাম সমর্থন করে কিনা জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।