
স্টাফ রিপোর্টার:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে সরিয়ে দিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোসহ নানান ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ময়মনসিংহের নান্দাইলের নিরপেক্ষ সচেতন মহল।
তাদের বক্তব্য ময়মনসিংহ-৯ নান্দাইল আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রফেসর ড. এ আর খান একজন ভালো মনের ও সৎ মানুষ। তিনি একজন শিক্ষক। পাশাপাশি সমাজের অসহায় অবহেলিত মানুষের পাশে দাড়ান। বড় পরিসরে জনগণের জন্য কিছু করতে হলে জনপ্রতিনিধি হওয়া আবশ্যক বিধায় তিনি এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। একজন সৎ আদর্শবান ও জনবান্ধব লোক বিদায় তিনি নান্দাইলে ব্যাপক জনপ্রিয়। তার প্রার্থীতায় সাধারণ মানুষের মাঝে উৎসাহ উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার বিজয় সুনিশ্চিত দেখে তার প্রতিপক্ষরা তাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে এমন আলোচনা চলছে বিভিন্ন মহলে।
অপরদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রফেসর ড এ আর খান বলেন, আমাকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে দিতে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। এটা অশুভ লক্ষণ। আমি কাউকে শত্রু মনে করি না। তবে আমি সুষ্ঠ ও অবাধ নিবার্চনী মাঠে নিরপেক্ষ ব্যালট বিপ্লবে শক্ত প্রতিন্দ্বন্দ্বীতা গড়তে চাই। কারণ জয়ের বিষয়ে আমি আশাবাদী।
এ সময় তিনি আরো বলেন, নিয়ম অনুযায়ী স্বতন্ত্র নির্বাচন করার জন্য আমি ভোটারদের সমর্থন তালিকা জমা দিয়েছি। কিন্তু একটি পক্ষ আমার সমর্থনকারীদের টাকার লোভ দেখিয়ে ও আমাকে আওয়ামীলীগ ট্যাগ লাগিয়ে আমার বিপক্ষে অবস্থান নেয়ার জন্য ষড়যন্ত্র করছে। তবে আমি যে কোন মূল্যে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে লড়াই করতে চাই।
প্রফেসর ড এ আর খান নান্দাইল উপজেলার আচারগাঁও ইউনিয়নের আচারগাঁও গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে। তিনি ঢাকায় একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা করেন। পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে যে সরকারই ক্ষমতায় থাকুক তাকে সমর্থন করে যে কোন প্রতিষ্ঠান বা দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীরা এটাই স্বাভাবিক। তবে প্রফেসর ড এ আর খান বিগত দিনে আওয়ামী সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমে সমালোচনা করায় তার বিরুদ্ধে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে।
এর আগেও একাদশ ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি অংশ নিয়ে চাইলেও আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের ষড়যন্ত্রে তিনি নির্বাচন করতে পারননি।
পরবর্তীতে প্রফেসর এ আর খান নিজেই একটি রাজনৈতিক দল—ফেডারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এফডি) গঠন করেন। বর্তমানে তিনি এফডি পার্টির প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে আছেন। তবে এখন পর্যন্ত দলটি নিবন্ধন না পাওয়ায় তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। অথচ তিনি ইচ্ছা করলে এনসিপি ছাড়াও অন্য যেকোন দল থেকে চাইলেই মনোনয়ন পাইতেন। আওয়ামীলীগের অনেকে বিভিন্ন দলের ছায়াতলে আশ্রয় নিয়ে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতা নেমেছেন যদি এটা দোষ না হয় তাহলে প্রফেসর ড এ আর খান একজন শিক্ষক হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার প্রত্যাশায় মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়া দোষের কিছু হতে পারেনা বলেও মনে করছেন উপজেলার রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।