
স্টাফ রিপোর্টার:
বানারীপাড়া পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ,৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি গৌতম সমদ্দার ডেভিল হান্ট ফেজ ২ এর অভিযানে আটক হয়েছে বলে জানা যায়। ঘটনাসুত্রে জানাযায় আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে গৌতম তার সারের দোকেনে বসে গোপন মিটিং ও নাশকতার পরিকল্পনা করে আসছিল। আজ দুপুরে তিনি পুলিশের হাতে আটক হন। আরও জানা যায় বিগত ১৭ বছরে তিনি বানারীপাড়া আঙ্গুল ফুলে বনে গেছেন কোটিপতি। বিগত ১৭ বছরে প্রায় দশটি কমিটির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। রাতের আধাঁরের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন দুবার কাউন্সিলর জানাযায় গত মেয়রের ঘনিষ্টজন হওয়ায় পৌরসভায় ছিল তার একছত্র নিয়ন্ত্রন।তাকে টাকা না দিলে ৪নং ওয়ার্ডে কোন কাজ হতনা। বানারীপাড়ায় পুজা উদযাপন কমিটির সাধারন সম্পাদক হওয়ার সুবাদে সরকারি টিআর বরাদ্ধে চার ভাগের তিন ভাগের বেশি টাকা কোন টাকা মন্দির কমিটি পেতনা এই গৌতমের জন্য। বানারীপাড়া মহাশশ্মান কমিটির লোক হওয়ায় ৪নং ওয়ার্ডে অবস্থিত জমিদার বাড়ির শশ্মান বিক্রি করে নিয়েছিলেন প্রায় দশ লাখ। এছাড়াও বানারীপাড়ায় বরাদ্ধকৃত মহাশশ্মান কিছু জমি বেদখল হয়ে যায়। বেখদলকৃত জমির দখলদারদের উচ্ছেদ নামে তাদের কাছ থেকেও কামিয়েছেন মোটা অঙ্কের টাকা। বানারীপাড়া সার্বজনীন মন্দির সাধারন সম্পাদক হওয়ার সুবাদে মন্দিরে শাল লোহা কাঠের ঘর তুলে নিয়ে বাড়িতে তৈরি করেছিলেন ঘর। এছাড়াও হিন্দুদের বেদখল হওয়া দেবত্তোর সম্পত্তি উদ্ধারের নামে কামিয়েছেন কোটি টাকা। ধর্ম মন্ত্রালয়ের বরাদ্ধ তার হাত ছারা বানারীপাড়ায় কোন মন্দির পেতনা। এছাড়াও বানারীপাড়া উপজেলার সরকারি সকল বরাদ্ধে তাকে প্রসাদ না দিয়ে মন্দিরের দেবতারা পেতনা। এছাড়াও তিনি বন্দর বাজারের একজন সারের ব্যবসায়ী এছাড়াও তিনি সারের ডিলার ।বিগত ১৭ বছরে সারের যত কারসাজি গৌতম হাত ধরেই হয়েছে। এছাড়াও সরকারের বরাদ্ধের সার তিনিই দোকানে বস্তা পরিবর্তন করে বিক্রি করেছেন। জানা যায় এতকর্ম তিনি উপজেলা আ.লীগের সাবেক সভাপতি, দুইবারের মেয়র ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড.সুভাষ চন্দ্র শীল'কে বিক্রি করে করেছেন। এছাড়াও নিজে গড়েছেন আলিশান বাড়ি ও অবৈধ টাকার পাহাড়।।