
নিজস্ব প্রতিবেদক:
দালাল চক্রের দৌরাত্ম্যমুক্ত জনবান্ধব ভূমি অফিসের কার্যক্রম হাতে নিয়ে চক্রান্তের কবলে পড়েছেন ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার সাইদুল ইসলাম।
ভালুকা উপজেলা ভূমি অফিস কার্যালয়ের সার্ভেয়ার হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর সহকারী কমিশনার ভূমি এর দিকনির্দেশনা মোতাবেক কার্যালয়টিকে ঘুষ, দুর্নীতি ও দালালমুক্ত করার উদ্যোগ নেয়ায় সংঘবদ্ধ স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর রোষাণলে পড়েছেন তিনি।
যাদের একটি অংশ ইতিমধ্যে সার্ভেয়ার সাইদুল ইসলামের নামে কিছু বিতর্কিত ও ফেইক আইডি থেকে ষড়যন্ত্র মোলকভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে এমন অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর ব্যক্তিদের মাঝে।
সামাজিক বিশ্লেষকদের মতে- একজন জনবান্ধব ও কর্মট সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে তার মনোবল ভেঙে দিয়ে স্বাভাবিক কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করার পায়তারা চালানো হচ্ছে।
সূত্র জানায়, গত ২০২৫ সালের ১০এপ্রিল ভালুকার সহকারী কমিশনার ভূমি কার্যালয়ে সাইদুল ইসলাম সার্ভেয়ার হিসাবে দায়িত্ব নেয়ার পরপরই দালালদের দৌরাত্ম্য এবং ঘুষ বন্ধে পদক্ষেপ নেন। এতে অস্বস্তিতে পড়ে যায় সুবিধাভোগী অসাধু চক্রটি, যারা বিগত সময়ে ভূমি অফিসের প্রতিটি স্তরে সিন্ডিকেট বানিয়ে কোটি টাকার অবৈধ বাণিজ্যে লিপ্ত ছিল। এই চক্রটি দ্রুতই তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও কিছু কথিত নিউজ পোর্টালে মনগড়া অভিযোগ, বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দেয়। উদ্দেশ্য ছিল- তাঁকে সরিয়ে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আবারও প্রতিষ্ঠা করা।
সাইদুল ইসলামের সহকর্মীরা গণমাধ্যমে তাদের প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, “উনি নিয়মের বাইরে একচুলও যান না। তাঁর মতো অফিসারই বাংলাদেশকে দুর্নীতিমুক্ত করতে পারে। মিথ্যা অপবাদ শুনে আমরা ব্যথিত। অফিস স্টাফদের অনেকেই মুচলেকার ঘটনার পর বলছেন-এটি আইনের প্রতি সম্মান এবং সত্য প্রতিষ্ঠার জয়।
ভূমি অফিসের একজন সেবাপ্রত্যাশী বলেন, “আগে দালাল ছাড়া কাজ হতো না। এখন সরাসরি গিয়ে সার্ভেয়ারের সাথে দেখা করা যায়, কথা বলা যায়,অফিসার সাহেব নিজেই কথা বলেন। তিনি একজন হাস্যজ্বল ও মিশুক ধরনের মানুষ, যিনি যেকোন সময় মানুষের সাথে মিশে যেতে পারেন। সকল সেবা গ্রহীতাদের জন্য তার দুয়ার সবসময় উম্মুক্ত থাকে। এমন লোকের বিরুদ্ধে মিথ্যা রটনা করলে কার স্বার্থ রক্ষা হয়? তা কারো বুঝার বাকী নাই। উপজেলা ভূমি অফিসে আশা অনেকেই এমন মিথ্যাচারের তীব্র সমালোচনা ও নিন্দা জানিয়েছেন।
সার্ভেয়ার সাইদুল ইসলাম ইতিপূর্বে ময়মনসিংহের আরেকটি উপজেলায় দায়িত্ব পালন করেছেন। সেখানকার মানুষ তাকে আজো সম্মানের সাথে স্মরণ করেন।
ভূমি অফিসের স্বচ্ছ ও জনবান্ধব কর্মকর্তা বর্তমান ভালুকা উপজেলা ভূমি অফিসে কর্মরত সার্ভেয়ার সাইদুল ইসলামকে জড়িয়ে কয়েকটি ফেইক আইডির নাম ব্যবহার করে আইডিগুলো থেকে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে। একজন সাংবাদিকও যদি কারো বিরুদ্ধে লেখে তাহলে সে তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স গণমাধ্যম ব্যবহার করে। ফেইক আইডি থেকে এভাবে একজনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে করো সুনাম ক্ষুন্ন করার ঘটনায় বিভিন্ন মহলে তীব্র নিন্দা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, আইডিগুলো থেকে তার বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর বিভিন্ন কনটেন্ট ছড়ানো হচ্ছে। যা সাইবার অপরাধ দমন আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এসব আইডিগুলো সমাজের সৎ ও জনবান্ধব রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিদের কে নিয়েও প্রায় সময় দেখি লেখালেখি করে, এমনকি অনেক অশালীন ভাষাও ব্যবহার করে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে কিছু ভুয়া ও বিকৃত ছবি তৈরি করে সেগুলোও অনলাইনে ছড়ানো হয়।যা একজন ব্যক্তির সম্মানহানির বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। একজন সরকারী কর্মকর্তা তার চাকরি ক্ষেত্রে অনেক নিয়ম ও আইনের নীতিমালা অনুসরণ করে চলতে হয়। তাতে অনেকে তার দু নম্বরী উদ্দেশ্য হাসিল করতে ব্যর্থ হয়ে অবশেষে সেই কর্মকর্তার সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে বিভিন্ন ভাবে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন।ভালুকার সার্ভেয়ার সাইদুল ইসলাম সেরকম ষড়যন্ত্রের কবলে পড়েছে বলেও দাবী উঠেছে বিভিন্ন মহলে।
সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন, ভূমি অফিসের কিছু দালাল চক্রের বিরুদ্ধে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে সার্ভেয়ার সাইদুল ইসলামের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে এমন অভিযোগও রয়েছে।