স্টাফ রিপোর্টার:
ময়মনসিংহের নান্দাইলে ভোট চলাকালে কেন্দ্রে নির্বাচনি আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে প্রভাব খাটানোর অভিযোগে ১ব্যক্তিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন নির্বাচনি অপরাধ সংশ্লিষ্ট ভ্রাম্যমান সংক্ষিপ্ত বিচারিক আদালত।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারী) ময়মনসিংহ –০৯ আসন এলাকার চর বেতাগৈর ইউনিয়নের আনোয়ারুল হোসেন খান চৌধুরী মহিলা কলেজ কেন্দ্রে নির্বাচনি আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে তাকে দন্ডবিধি দেওয়া হয়।অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মোস্তাফিজুর রহমান।সে স্থানীয় ইয়াকুব আলীর পুত্র।
আদালত সূত্রে জানা যায়, দন্ডপ্রাপ্ত চর বেতাগৈর ইউনিয়নের ইয়াকুব আলীর পুত্র মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইউনিয়নের আনোয়ারুল হোসেন খান চৌধুরী মহিলা কলেজ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলাকালে একটি কেন্দ্রে প্রবেশ করে নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে অবৈধ প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে বিঘ্ন ঘটিয়ে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করে। এ সময় দায়িত্বরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাকে আটক করেন। পরে নির্বাচনি আচরণ বিধি লঙ্ঘনের দায়ে তাৎক্ষণিকভাবে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।
শুনানিতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় নির্বাচনি অপরাধ সংশ্লিষ্ট ভ্রাম্যমান সংক্ষিপ্ত বিচারিক আদালতে শুনানি শেষে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রোকসানা পারভীন তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন এবং উক্ত জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাকে ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আচরণ বিধি লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেঅতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান-সদ্য অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মাঠপর্যায়ে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে মাঠে কাজ করেছে প্রশাসন। এরই ধারাবাহিকতায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে ময়মনসিংহ-৯ নান্দাইল আসনের চর বেতাগৈর ইউনিয়নের ইয়াকুব আলীর পুত্র মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইউনিয়নের আনোয়ারুল হোসেন খান চৌধুরী মহিলা কলেজ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলাকালে একটি কেন্দ্রে প্রবেশ করে নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে অবৈধ প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে আটক করে। পরে শুনানিতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় নির্বাচনি অপরাধ সংশ্লিষ্ট ভ্রাম্যমান সংক্ষিপ্ত বিচারিক আদালতে শুনানি শেষে তাকে ১০ হাজার টাকা ও অনাদায়ে তাকে ৩০দিনের বিনাশ্রম অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
তিনি আরও জানান, নির্বাচনের শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনের এই নিয়মিত পর্যবেক্ষণ অব্যাহত থাকবে। নির্বাচনী ফলাফলকে কেন্দ্র করে কোনো প্রার্থী বা দল আইন ভঙ্গ করলে তাদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

