ঢাকাবুধবার , ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
  1. অপরাধ ও দুর্নীতি
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. কৃষি
  6. খেলাধুলা
  7. গ্রাম-গঞ্জ-শহর
  8. জাতীয়
  9. ধর্ম ও ইসলাম
  10. বিজ্ঞপ্তি ও বিজ্ঞাপন
  11. ভূমি
  12. রাজধানী
  13. রাজনীতি
  14. শিক্ষা ও ক্যাম্পাস
  15. স্বাস্থ্য ও জীবন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আলোচিত দিপু দাস হত্যা মামলায় আরো ২জনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ

প্রতিবেদক
Daily Somor Diganta
ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫ ১০:২৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আরিফ রববানী, ময়মনসিংহ সংবাদদাতা:

ময়মনসিংহের ভালুকায় দিপু দাসকে নির্মমভাবে হত্যার পর গাছে ঝুলিয়ে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় নিবির ইসলাম অনিককে (২০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার অনিক দিপু দাসকে পোড়ানোর আগে গাছে ঝুলিয়েছিলেন। অপরদিকে চাঞ্চল্যকর দিপু হত্যা মামলার ধারাবাহিক অগ্রগতির অংশ হিসাবে নিহতের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করাসহ মোঃ এরশাদ নামে আরো এক জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেলে জেলার পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান এর সার্বিক দিক-নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) ডিবি’র চলতি দায়িত্বে মোঃ আবদুললাহ্ আল মামুন এর তত্ত্বাবধানে চাঞ্চল্যকর দিপু হত্যা কাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে প্রাপ্ত তথ্য ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের টঙ্গী পশ্চিম থানার চেরাগআলী এলাকা থেকে গুরুত্বপূর্ণ অভি যুক্ত নিবির ইসলাম অনিক কে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি চৌকস দল। অপরদিকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের আরেকটি চৌকস টিমের অভিযানে চাঞ্চল্যকর দিপু হত্যা মামলার ধারাবাহিক অগ্রগতির অংশ হিসাবে নিহতের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করাসহ মোঃ এরশাদ নামে আরো এক জনকে গ্রেফতার করেছে।

গ্রেপ্তার অনিক ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ধানীখোলা (মধ্য ভাটিবাড়ি) গ্রামের মো. কালিমুল্লাহর ছেলে। তিনি ভালুকার একটি ফ্যাক্টরিতে নিটিং অপারেটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

গত ১৮ ডিসেম্বর দিপুকে হত্যার পর রশি দিয়ে গাছে ঝুলিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এই ভয়াবহ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এর পরদিন নিহতের ছোট ভাই অপু চন্দ্র দাস বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১৫০ জনকে আসামি করে ভালুকা থানায় মামলা দায়ের করেন।

ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ দেখতে পায়, সাদা শার্ট পরিহিত এক যুবক দিপুর নিথর দেহ রশি দিয়ে টেনে গাছের ওপর তুলছে। প্রযুক্তির সহায়তায় সেই যুবককে শনাক্ত করে পুলিশ।

হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই অনিক পলাতক ছিলেন। তাকে ধরতে ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিক অভিযান চালানো হয়। সর্বশেষ ঢাকার বনানী ও গাজীপুরের চেরাগআলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টায় তাকে গ্রেপ্তার করে তদন্তকারী দল।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, অনিক যে ফ্যাক্টরিতে কাজ করতেন ঘটনার পর থেকেই তিনি সেখানে অনুপস্থিত ছিলেন। এই মামলায় এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে ৫ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। অন্যদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Facebook Comments Box