দেওয়ান মুরাদুজ্জামান, মতলব উত্তর (চাঁদপুর) সংবাদদাতা:
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-২ কুলাউড়া আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একক প্রার্থী প্রচারনা চালালেও বিএনপিতে মনোনয়ন প্রত্যাশী একাধিক। সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও মাঠে ইতোমধ্যে মিছিল, পথসভা, কর্মী সম্মেলনসহ নির্বাচনমুখী নানান কার্যক্রম শুরু করেছেন এসব প্রার্থীরা।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মৌলভীবাজার জেলা আমির ইঞ্জিনিয়ার এম সাহেদ আলী জামায়াতের একক প্রার্থী হিসেবে দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে গণসংযোগ, সভা-সমাবেশ ও প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। এদিকে বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন একাধিক প্রার্থী। ২০০৮ সালের নির্বাচনে জোটের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে পরাজিত হন এ্যাড. আবেদ রাজা। তিনি এবারও দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী।
অনেকেই বলছেন তিনি মনোনয়নের দৌড়ে এগিয়ে আছেন। এ্যাড. আবেদ রাজা কুলাউড়ায় শুক্র ও শনিবার সময় দেন। তাছাড়া বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশি অন্যান্যদের মধ্যে হলেন শওকতুল ইসলাম শকু। তিনিও মনোনয়ন পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। এছাড়াও বিএনপি থেকে বহির্বিশ্ব বিএনপির সভাপতি লন্ডন প্রবাসী ড. সাইফুল আলম চৌধুরী ইতোমধ্যে কুলাউড়া বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ভালো অবস্থান তৈরী করেছেন। তিনিও মনোনয়ন প্রত্যাশি হিসেবে আলোচনায় আছেন। যুক্তরাস্ট্র যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ আহমদ বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। তাছাড়া আলোচনায় আছেন বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের আমলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয়ী হওয়া এম এম শাহীন। তবে সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদের মতো তিনিও একাধিকবার দল বদল করে কোনঠসায় আছেন।
কুলাউড়ায় তিনবার সংসদ সদস্য হয়েছিলেন নবাব আলী আব্বাস খান তিনি মুলত জাতীয় পার্টির হলেও বর্তমানে তার দলের মতোই তার নিজের অবস্থান নড়বড়ে। আলোচনায় আছেন আঞ্জুমানে আল ইসলাহ’র সাধারণ সম্পাদক মাওলানা কাজী ফজলুল হক খান সাহেদ। তবে আওয়ামিলীগ ঘেঁষা রাজনীতি করার কারণে তিনি কিছুটা সমালোচনায় আছেন।

