আব্দুল মান্নান সিদ্দিকী:
সারাদেশের ন্যায় মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে শীতের তীব্র বাড়ছে। শিশু ,কিশোর, বয়স্ক সকল শ্রেণীর মানুষ শীতের পোশাক পরিধান করে শীত নিবারণ করেন ।
যাদের শীতকালীন পোশাক নেই তারা শীতের পোশাক ক্রয় করতে ছোটেন শপিংমল অথবা ভাসমান দোকানে ।
বেশিরভাগ ক্রেতাদের পছন্দের স্থান হচ্ছে সড়কের পাশে অবস্থিত ভাসমান দোকান ।
এসব দোকানে স্বল্প দাম বিভিন্ন প্রকার শীতকালীন পোশাক পাওয়া যায় ।
স্বল্প আয়ের ক্রেতাদের আগমন ঘটে এসব দোকানে বেশি
এ বছর আগাম শীত পড়লে ও সে তুলনায় শীতকালীন পোশাকের দোকানে ক্রেতাদের উপস্থিতি কম বলে জানালেন শ্রীনগর বাজার পোস্ট অফিস সংলগ্ন বাজারে প্রবেশ সড়কের ফুটপাতে ভাসমান দোকানি মোঃ ফারুক।
তিনি জানান প্রতি বছর স্বল্প আয়ের লোকেরা শীতকালীন পোশাক ক্রয় করতে ফুটপাতে ভিড় করেন বেচাকেনা ও হয় জমজমাট ।
সে ভরসায় বড় আশা নিয়ে শীত আগমনের সাথে সাথে ঢাকা হতে শীতকালীন পোশাক ক্রয় করে দোকান সাজিয়েছিলেন ।
ভেবেছিলেন অগ্রহায়ণ মাসে আগাম শীত পড়ায় শীতের পোশাক বিক্রি হবে জমজমাট । সে আশা তার পূরণ হয়নি।
তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন তার দোকানে প্রচুর পরিমান শীতকালের পোশাক রয়েছে কিন্তু ক্রেতা নেই ।
তার দোকানে যে পরিমাণ শীতের পোশাকরয়েছে তা এ বছর বিক্রি হবে কিনা সন্দেহে রয়েছে ।
কারণ এ বছর অগ্রহায়নের প্রথম দিকে শীত পড়েছি এখন অগ্রহায়ণ মাস শেষ হওয়ায় যাদের পোশাক ছিল না ইতিমধ্যে তারা শীতকালীন পোশাক ক্রয় করে ফেলেছেন।
তার পাশে অবস্থিত অপর এক দোকানির দোকানে কয়েকজন মহিলাক্রেতা শীতের পোশাক ক্রয় করছিলেন।
উক্ত দোকানি জানালেন বেচাকিনা মোটামুটি ।
সাফিয়া বেগম এসেছিলেন ফুটপাতের দোকানে মোজা কিনতে ৬০ টাকা দিয়ে দুই জোড়া মোজা ক্রয় করতে পেরে তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেন এই মৌজা কোন স্টোর ও শপিংমল হতে ক্রয় করতে হলে কমপক্ষে একশত টাকা লাগতো ।
চকবাজার ব্রীজের উপরে একজন ভাসমান দোকানির দোকানে মহিলা ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় হলেও গত বছরের তুলনায় এ বছর বিক্রয় কম বলে জানালেন উক্ত দোকানি ।

